Sunday , 9 August 2020
Home » Networking » ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা

ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা

ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা

(ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা) পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্কের চেয়ে অনেক সিকিউর হলাে ক্লায়েন্ট- সার্ভার নেটওয়ার্ক। আমরা আগেই জেনেছি পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রতিটি রিসাের্সের জন্য পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা হয়। এটি করার কারণ পিয়ার-টু পিয়ার নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা হয় শেয়ার লেভেল একসেস। কিন্তু ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যায় ইউজার লেভেল সিকিউরিটি ইউজার লেভেল একসেস- এ আমার প্রতিটি ইউজারের জন্য কোনাে রিসাের্সে। পারমিশন দিতে পারি।

ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা

ধরা যাক আপনি একটি ফোল্ডার শেয়ার করতে চান। শেয়ার লেভেল একসেস কন্ট্রোল ব্যবহার করলে আপনি। যখন সেই ফোল্ডারটি শেয়ার করছেন তখনই তার জন্য একটি পাসওয়ার্ড দিতে পারেন। এই পাসওয়ার্ড যেসব। ইউজার জানবে তারা সেই শেয়ারে একসেস করতে পারবে। যারা জানবে না তারা পারবে না। (ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা) এখানে সেই। শেয়ারে কোন কোন ইউজার একসেস করতে পারবে তা নির্ধারণ করে দিতে পারছেন না। কিন্তু ইউজার লেভেল একসেস কন্ট্রোলে এটি সম্ভব। এক্ষেত্রে কোনাে শেয়ার তৈরির সময় আপনি পারমিশন নির্ধারণ করে দিতে পারেন কোন ইউজার বা ইউজার গ্রুপ সেই শেয়ার নিয়ে কী করতে পারবে। এখন নেটওয়ার্ক থেকে কোনাে ইউজার সেই শেয়ারে একসেস করতে চাইলে সার্ভার কোনাে পাসওয়ার্ড না চেয়ে দেখবে সেই ইউজারের নাম একসেস কন্ট্রোল লিস্ট (ACL)- এ আছে কি না। যদি থাকে তাহলে সেই শেয়ারে ওই ইউজারের কী পারমিশন আছে। ইউজার সেসব পারমিশন আপনাআপনি পেয়ে যাচ্ছে কোনাে প্রকার পাসওয়ার্ড দেয়া ছাড়াই। তবে এক্ষেত্রে শর্ত হলাে সেই ইউজারকে অবশ্যই নেটওয়ার্কে লগড ইন থাকতে হবে। ইউজার লেভেল একসেস কন্ট্রোল ব্যবহার করা হলে ইউজারকে কেবল নেটওয়ার্কে একসেস করার জন্য। ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড মনে রাখতে হবে। একবার নেটওয়ার্কে লগ-ইন করতে পারলে সে অতিরিক্ত কোননা। পাসওয়ার্ড টাইপ করা ছাড়াই অন্যান্য রিসাের্সে প্রবেশ করতে পারবে। এটিই নেটওয়ার্ক জগতে সিঙ্গল লগ- অন। সাপাের্ট বলে পরিচিত। সিঙ্গল লগ- অন নেটওয়ার্কের নিরাপত্তাকে জোরদার করে। কারণ দেখা গেছে ইউজারকে যখন একাধিক ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড মনে রাখতে হয় তখন সে সহজে মনে রাখা যায় এমন পাসওয়ার্ডই বেছে নেয় এবং সেসব পাসওয়ার্ডকে হাতের কাছে কোথাও লিখে রাখে। এসব অভ্যাস নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে।

ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক বাস্তবায়ন

কোন ধরনের নেটওয়ার্ক আপনার উপযোগী হবে তা নির্ধারণের পর কাজ হবে সেই নেটওয়ার্ককে বাস্তবায়ন করা। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্কের উপযােগিতা সহজে অনুভূত হলেও এটি বাস্তবায়ন করা কিন্তু খুব সহজ নয়। এটির জন্য বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন। কোন ধরনের সার্ভার হার্ডঅয়্যার ও সফটঅয়্যার ব্যবহার করবেন তা নির্ভর করে আপনার সংস্থার আকার, প্রয়ােজন এবং বাজেটের উপর।(ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা)

সার্ভার বেজড নেটওয়ার্ককে নিম্নোক্ত নিয়ামকের উপর ভিত্তি করে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়:

  • নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীর সংখ্যা।
  • নেটওয়ার্কে কোন ধরনের এপ্লিকেশন চালানাে হবে।
  • নেটওয়ার্কের ভৌগলিক অবস্থান।
  • এক সার্ভার বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক।

এটি প্রাথমিক স্তরের নেটওয়ার্ক। প্রথমদিকে ছােটখাটো কোম্পানি সাধারণত পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক গড়ে। তােলে। তারপর এর একটু স্ফীতি ঘটলে যােগ করে একটি সার্ভার। তখনই এক মডেল থেকে আরেক মডেলে পদাপণ ঘটে। একটিমাত্র সার্ভার থাকায় সেই সার্ভার একইসাথে একাধিক ভূমিকা পালন করে থাকে। এটি একইসাথে ফাইল সার্ভার, প্রিন্ট সার্ভার, এপ্লিকেশন সার্ভার এমনকি মেসেজিং সার্ভার কিংবা ডাটাবেজ সার্ভার হিসেবে কাজ করে।

এক সার্ভার বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক

এক সার্ভারবিশিষ্ট নেটওয়ার্ক খুব সহজেই ম্যানেজ করা যায়, নেটওয়ার্ক এডমিনিস্ট্রেটরকে কেবল একটি সার্ভার নিয়েই ব্যস্ত থাকতে হয়, কোন সার্ভারের কী কাজ হবে সে নিয়ে মাথা ঘামাতে হয় না। কিন্তু এটি আসলে খুবই বিপদজনক। সব ডিম এক ঝুড়িতে রাখলে যেমন বিপদ ঘটতে পারে, তেমনি একটিমাত্র সার্ভারে পুরাে নেটওয়ার্কের রিসাের্স রাখলে বিপদ দেখা দিতে পারে। সেই সার্ভার কোনাে কারণে বিকল হয়ে গেলে নেটওয়ার্ক ইউজাররা পুরােপুরি রিসাের্স থেকে বঞ্চিত হবে, এমনকি নেটওয়ার্কে লগ-ইন পর্যন্ত করতে পারবে না। ছােটখাটো অফিসে, যেখানে বিজনেজ কিংবা মিশন ক্রিটিক্যাল কোন কাজ হয় না কেবল সেখানেই এক সার্ভারবিশিষ্ট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা যেতে পারে। এক সার্ভার বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক হতে পারে চিত্র ৩.১১- এর মতাে।(ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা)

ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা

একাধিক সার্ভার বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক

নেটওয়ার্কের ব্যবহারকারী এবং ব্যবহার বাড়ার সাথে নেটওয়ার্কে সার্ভারের সংখ্যা বাড়তে থাকে। সেসময় বিভিন্ন সার্ভারকে বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের জন্য কনফিগার করা হয়। কোনােটিকে বানানাে হয় ফাইল সার্ভার, কোনােটিকে এপ্লিকেশন সার্ভার আবার কোনটিকে প্রিন্ট সার্ভার। এধরনের নেটওয়ার্ককে বলা হয় মাল্টিসার্ভার নেটওয়ার্ক। সাধারণত ৫০ থেকে ৫০০ ইউজারের জন্য মাল্টিসার্ভার নেটওয়ার্কের দরকার হয়।। মাল্টিসার্ভার নেটওয়ার্কের বড়াে সুবিধা হলাে একটিমাত্র সার্ভারের উপর পুরাে নেটওয়ার্ক নির্ভরশীল নয়। কোনাে একটি সার্ভার নষ্ট হয়ে গেলে কেবল সেই সার্ভারের সার্ভিস পাওয়া যাবে না, কিন্তু পুরাে নেটওয়ার্ক অকেজো হয়ে পড়বে না। আবার একটি সার্ভারের দায়িত্ব অন্য সার্ভারকেও দেয়া যেতে পারে। যেমন লগ- অন সার্ভারের বিকল্প । লগ- অন সার্ভার রাখা হয় যাতে প্রথম লগ- অন সার্ভার কোনাে কারণে অকেজো হয়ে গেলে ইউজার নেম ও । পাসওয়ার্ড যাচাইয়ের কাজটি দ্বিতীয় লগ- অন সার্ভার সারতে পারে। এতে নেটওয়ার্কে ইউজার লগ-ইন অব্যাহত । থাকবে। আবার বিভিন্ন সার্ভার কেবল একটি বা দুটি কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত বলে তাদের পারফরম্যান্সও ভালাে হয়ে। থাকে। (ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা) চিত্র ৩.১২- এ একটি মাল্টিসার্ভার নেটওয়ার্ক দেখানাে হলাে।

 

For More Know

HOME

Check Also

সিগন্যালিং ও ডাটা কমিউনিকেশন

সিগন্যালিং ও ডাটা কমিউনিকেশন

সিগন্যালিং ও ডাটা কমিউনিকেশন (সিগন্যালিং ও ডাটা কমিউনিকেশন) কম্পিউটার কমুনিকেশনে ফিজিক্যাল মিডিয়ার মধ্য দিয়ে ডাটা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »