Tuesday , 26 May 2020
Home » Networking » সার্ভার হার্ডওয়্যার

সার্ভার হার্ডওয়্যার

সার্ভার হার্ডওয়্যার

সার্ভার হার্ডওয়্যার আগেই বলেছি সার্ভার সফটওয়্যার যাই চালাই না কেন তার জন্য অবশ্যই হার্ডওয়্যার লাগবে। নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম কোনটি ব্যবহার করছি এবং কোন ধরনের সার্ভার হিসেবে এটিকে ব্যবহার করবাে তার ওপর ভিত্তি করে সার্ভার হার্ডঅয়্যার বাছাই করা দরকার। তবে প্রতিটি সার্ভারের নিচের কিছু বৈশিষ্ট্য থাকা দরকার:

  • নির্ভরযোগ্যতা – সার্ভার আপনার নেটওয়ার্ক কেন্দ্রবিন্দুতে, এর ব্যর্থতা মানে পুরাে নেটওয়ার্ক অকেজো হয়ে যাওয়া। তাই সার্ভার হার্ডওয়্যার এমন হওয়া দরকার যাতে আপনি নিশ্চিত হতে পারেন। যে চলতে চলতে হঠাৎ কোনাে হার্ডওয়্যার বন্ধ কিংবা অকেজো হয়ে যাবে না।
  • সম্প্রসারণযােগ্যতা – যে হার্ডওয়্যারই আপনি ব্যবহার করুন না কেন সেটিকে যাতে সম্প্রসারণ বা প্রতিস্থাপন করতে পারেন সে ব্যবস্থা থাকা দরকার। যেমন ধরা যাক, আপনি বর্তমানে যে মাদারবাের্ড ব্যবহার করছেন তাতে ৩০০ মেগাহার্টজ প্রসেসর ব্যবহার করছেন। এর সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা যদি ৩ মেগাহাটজই হয়ে থাকে তাহলে বর্তমানে উচ্চক্ষমতার প্রসেসর ব্যবহারের সুযােগ আপনি পাচ্ছেন। আপনার সার্ভার এর মেমরি কিংবা অন্যান্য কম্পোনেন্ট অকেজো হয়ে গেলে সেগুলো সহজে প্রতিস্থাপন করা যায় কি না সেটা দেখতে হবে।
  • ফল্ট টলারেন্স – যত ভাল হার্ডওয়্যারই ব্যবহার করুন না কেন কিছু কিছু হার্ডওয়্যার আছে, ফোন হার্ডডিস্ক, যার ওপর আপনি কখনই পুরােমাত্রায় নির্ভর করতে পারবেন না এবং সেসব হার্ডওয়্যার। অকেজো হয়ে গেলে সমূহ ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে ফল্ট টলারেন্স বা ত্রুটি সহনক্ষমতা আছে এমন হার্ডওয়্যার ব্যবহার করা হয়। যেমন বিশেষ ধরনের হার্ডডিস্ক আছে যাতে কোনাে অংশে। ত্রুটি দেখা দিলে অন্য অংশ থেকে সেই ডাটা পাওয়া যায়। এই ফল্ট টলারেন্স ব্যবস্থা সফটওয়্যারের মাধ্যমেও করা যেতে পারে। যেমন উইন্ডােজ এনটি ও উইন্ডােজ ২০০০/২০০৩/২০০৮ এবং। লিনাক্স/ইউনিক্সে একইসাথে একাধিক ফল্ট টলারেন্স ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। এতে কোনাে একটি। ডিস্ক নষ্ট হয়ে গেলে অন্য ডিস্ক থেকে সেই ডাটা পাওয়া যেতে পারে। এধরনের ফল্ট টলারেন্স ব্যবস্থাকে। বলা হয় রেইড (RAID) বা রিডান্ড্যান্ড অ্যারে অব ইন এক্সপেন্সিভ ডিস্ক। সফটওয়্যার ফল্ট টলারেন্সের চেয়ে হার্ডওয়্যার ফল্ট টলারেন্স ভালাে, তবে সেটি বেশ ব্যয়বহুল।

একথা ঠিক যে ফল্ট টলারেন্স সিস্টেম তৈরি করায় যে অর্থ ব্যয় করবেন তা ভাল বিনিয়ােগ। কারণ ডাটা নষ্ট হওয়ার চেয়ে টাকার মূল্য অনেক কম। ধরুন আপনি ১০ দশজন লােক নিয়ে কাজ করলেন একমাস যাবৎ। আপনার প্রজেক্ট প্রায় শেষের দিকে। এমন সময় হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেল (এবং এটি হওয়া খুবই স্বাভাবিক, আজ হােক কাল হােক আপনার হার্ডডিস্ক নষ্ট হবেই)। তাহলে কী করবেন? অনেক সময় কিছু ডাটা কখনই আবার নতন। করে সংগ্রহ করা সম্ভব হয় না। ফল্ট টলারেন্স ব্যবস্থা থাকলে এধরনের অসুবিধা হবে না। সার্ভার হার্ডঅয়্যার বাছাইয়ের সময় সাথে একটি UPS এবং একটি টেপ ব্যাকআপ ইউনিট অবশ্যই রাখা দরকার। ফল্ট টলারেন্স ব্যবস্থা থাকলেও নিয়মিত ডাটা ব্যাকআপ করার দরকার পড়ে। সেজন্য টেপ ব্যাকআপ ইউনিট দরকার পড়বে আপনার। আর লােডশেডিঙে হঠাৎ করে যাতে সার্ভার বন্ধ হয়ে ডাটা লস হতে না পারে সেজন্য দরকার UPS বা আনইনটারাপ্টিবল পাওয়ার সাপ্লাই। UPS কেনার সময় দেখতে হবে এটি কতক্ষণ ব্যাকআপ দিতে পারবে এবং রেসপন্স টাইম কতাে।

For Know More

HOME

Check Also

সিগন্যালিং ও ডাটা কমিউনিকেশন

সিগন্যালিং ও ডাটা কমিউনিকেশন

সিগন্যালিং ও ডাটা কমিউনিকেশন (সিগন্যালিং ও ডাটা কমিউনিকেশন) কম্পিউটার কমুনিকেশনে ফিজিক্যাল মিডিয়ার মধ্য দিয়ে ডাটা …

আর্কনেট যেভাবে কাজ করে

আর্কনেট যেভাবে কাজ করে

আর্কনেট যেভাবে কাজ করে আর্কনেট (আর্কনেট যেভাবে কাজ করে) এটাচ রিসোর্স কম্পিউটার নেটওয়ার্ক (ARCNet) হলাে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »